placeholder

আমরা কার

09-04-2026
placeholder

বিচারের সঠিক সময়

23-04-2026
placeholder

আমরা কার

09-04-2026
placeholder

বিচারের সঠিক সময়

23-04-2026

সদাপ্রভুর বিচার

placeholder

১ করিন্থীয় ৪:১-৪

“কারণ আমি আমার নিজের বিরুদ্ধে কিছু জানি না, তথাপি ইহাতে আমি নির্দোষ বলিয়া প্রতিপন্ন হইতেছি না; কিন্তু যিনি আমার বিচার করেন, তিনি প্রভু” (৪ পদ)।

মণ্ডলীতে কর্তৃত্ব এবং খ্যাতি লাভের জন্য কিভাবে লড়াই করা ঠিক নয় (১ করিন্থীয় :১:১০-৩:২৩) এ সমন্ধে পৌল যা বলেছেন তার সমস্ত কিছুর আলোকে, কেউ একজন এটাকে এভাবে সারাংশ করতেই পারে যে, একজনের উপর কর্তৃত্ব করার কোন স্থান খ্রীষ্টিয় সমাজে নাই। অর্থাৎ, যাই উহক না কেন, এটাই যে ১ করিন্থীয় পত্রের আরম্ভের অধ্যায়ে পৌলের শিক্ষা থেকে আমাদেরকে নিতে হবে তা নয়। যেহেতু আমরা ৪ অধ্যায়ে খ্রীষ্টিয়ান মণ্ডলীতে কর্তৃত্বের পার্থক্যর বিদ্যমানতা দেখব, যেখানে প্রেরিতত্বের ক্ষমতা সর্বোচ্চ। 

১ করিন্থীয় ৪ অধ্যায়ে প্রেরিত প্রেরিতত্বের ক্ষমতার বিষয়ে কথা বলছেন, কারণ কিছু কিছু করিন্থীয় বিশ্বাসীরা পৌলের ক্ষমতার বিষয়ে আপত্তি বা কমপক্ষে তারা প্রশ্ন তুলেছিল। এই বিষয়টি বিশেষভাবে ২ করিন্থীয় পত্রে স্পষ্ট, যেখানে পৌল সরাসরি এই অভিযোগের প্রতি জবাব দিয়েছেন যে, কোন কোন না কোনভাবে তিনি প্রথম শতাব্দীর মণ্ডলীতে কর্মরত সুপার-প্রেরিতদের, চেয়ে নুন্যতম ছিলেন (২করিন্থীয় ১:৫; ১১২:১১ পদ দেখুন)। তথাপি, ২ করিন্থীয়তে তার জবাব এমন একটি সমস্যাকে তুলে ধরে যা ছিল সমসাময়িক এমনকি যখন তিনি  ১করিন্থীয় পত্রটি লিখেছিলেন। সর্বোপরী, ১ করিন্থীয় ৪:৯-১৩ স্পষ্টই সেই লোকদের প্রতি জবাব যারা মন করতেন যে, প্রেরিতরা রোমীয় সরকার এবং নাগরিকদের কাছ থেকে যে খারাপ ব্যবহার পেয়েছিল তা কোন না কোন ভাবে তাদের কর্তৃত্বকে প্রশ্নের সম্মুখীন করেছিল। 

যেহেতু পৌল জোড় গলায় বলেছেন যে, জাগতিক উপায়ে কর্তৃত্বের জন্য লড়াই করা µz‡ki পথের সাথে সাংর্ঘষিক, তার কর্তৃত্বের পক্ষে তার আত্নপক্ষ সমর্থন অবশ্যই নিদর্শন যে, তিনি যে µzkv‡ivwcZ  খ্রীষ্টের সত্য ধারণ করে তার কর্তৃত্ব অনুশীলন করেন (১ করিন্থীয় ১:১০-৩:২৩)। তাই, তার প্ররিতত্ব পদ হলো দাস এবং অধ্যক্ষের তা ব্যখ্যা করার মধ্যদিয়ে তিনি তার আত্নপক্ষ সমর্থন করেছেন। যে গ্রীক শব্দগুলো থেকে “দাস” এবং “অধ্যক্ষ” অনুবাদ করা হয়েছে তা, ১ করিন্থীয় ৪:১ পদে এমন ব্যক্তিদের জন্য ব্যবহার করা হতো যাদেরকে একজন মালিক গৃহস্থিত বিষয়সমুহকে দেখাশুনা এবং পরিজনদের যত্ন নেয়ার জন্য ক্ষমতা দিয়ে থাকেন। পৌল নিজের-বস্তুত, সকল প্রেরিতগণের মণ্ডলীর মধ্যে কোন অর্ন্তনিহিত কর্তৃত্ব ছিল না, বরং খ্রীষ্টের দ্বারা এবং খ্রীষ্টের জন্যই এবং খ্রীষ্টের পথে মণ্ডলীকে ব্যবস্থাপনা এবং পরিচালনা করার জন্য তাদেরকে কর্তৃত্ব অর্পণ করা হয়েছিল। 

যেহেতু পৌল প্রভুর গৃহের মালিক ছিলেন না, তাকে প্রভুর পরিকল্পনার কাছে বিশ্বস্ত থাকতে হয়েছিল এবং গৃহের জন্য, ঈশ্বরের মণ্ডলীর জন্য তাকে আকাংখিত থাকতে হয়েছিল (১ করিন্থীয় ৪:২)। এই প্রশ্ন থেকেই যায়, পৌল কি বিশ্বস্ত ছিলেন? সম্ভবত কেউ কেউ তাকে অবিশ্বস্ত হিসাবে অভিযোগ করে থাকতে পারে। কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকলেও, বিশ্বস্ততার চুড়ান্ত বিচার ঈশ্বরের হাতে (৩ পদ)। এমন কি পৌল নিজেও তার নিজের পরিচর্যার মূল্যায়ন করতে পারেন নি, কেননা এই কাজটি প্রভুর যা তিনি শেষ দিনে করবেন (৪ পদ)।

ঈশ্বরের মুখ

আমরা প্রেরিত নই, কিন্তু আমরা ১ করিন্থীয় ৩:১০-১৫ পদে দেখেছি, ঈশ্বর মণ্ডলীর স্বার্থে আমরা তাঁকে যে সেবা দিয়েছি তা মূল্যায়ণ করবেন| বিশেষভাবে মণ্ডলীর নেতাদের কাজ তিনি মূল্যায়ণ করবেন। আমাদের মহান প্রত্যাশা হলো এই যে, আমাদেরকে বিশ্বস্ত পাওয়া যাবে। তাই, আমাদেরকে বিবেচনা পূর্বক অঙ্গিকারবদ্ধ হওয়া উচিত, আমরা মণ্ডলীতে যে প্রতিজ্ঞা করেছি তা আমাদের অবশ্যই করা উচিত, এবং যেহেতু আমরা তাঁর রাজ্যের জন্য কাজ করি প্রভু আমাদেরকে তাঁর বাক্যে যা বলেছেন আমাদের অবশ্যই তা অনুসরণ করা উচিত।

এই প্রবন্ধটি মূলতঃ লিগনিয়্যার মিনিস্ট্রিজ ব্লগে প্রকাশিত হয়েছিল।

লিগোনিয়ার সম্পাদকীয়

লিগোনিয়ার সম্পাদকীয়

লিগোনিয়ার মিনিস্ট্রিজের প্রবন্ধ, বই এবং শিক্ষামূলক বিষয়বস্তু।