
পিতা এবং পু্ত্র হইতে অনুগ্রহ এবং শান্তি
03-07-2025
প্রভুতে অনেক মঙ্গলবাদ
10-07-2025রান্না করার আনন্দ
অনেক সংস্কৃতিতেই ভোজন হলো কেন্দ্রীয় বিষয়| লোকদেরকে স্বাগতম জানানোর জন্য খাদ্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে| লোকদেরকে উদ&যাপনে Avb›` করার জন্য খাদ্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে| লোকদের শোক প্রকাশ করার ক্ষেত্রে এর ব্যবহার হয়ে থাকে| সমাজ গঠনে সাহায্যের ক্ষেত্রেও এর ব্যবহার হয়ে থাকে|
খাদ্য একটি সমাজকে বিভিন্ন উপায়ে সাহায্য করে| এটা একটি পরিচয়ের অনুভুতি দান করে- যেমন লোকেরা বলে, আমরা এই ধরণের খাবার তৈরী করি, আমরা এই ধরণের মশলা ব্যবহার করি, আমরা যে পদ্ধতি ব্যবহার করি, আমরা যে উপলক্ষ্যগুলোকে উদযাপন করি| এটা ঐতিহ্য বহন করে- “এভাবেই আমরা সর্বদা করে থাকি”, “এটা আমি আমার ঠাকুরমার কাছ থেকে শিখেছি”; “আমাদের লোকেরা বছরের এই সময়ে সবসময় এই খাবার তৈরী কর”|
খাদ্য আমাদেরকে বাহিরের লোকদেরকেও বলতে সাহায্য করে যে আমরা কারা| যারা নুতন এটা তাদেরকে সমাজের একটি অনুভুতিও দান করে| তাই, যদি কেউ প্রথমবারের মতো কোন স্থান পরিদর্শন করে, সেখানকার লোকেরা প্রায়ই তাদের জন্য স্থানীয় খাবার তৈরী করতে চান যেন অতিথী সেই স্থান এবং সেখানে যারা থাকেন তাদের বিষয়ে জানতে শুরু করতে পারেন|
আমি এবং আমার স্ত্রী আমরা রান্না করার একটি শো বা প্রদর্শণী দেখছিলাম যেখানে উপস্থাপক প্রায়ই সারা বিশ্বে ভ্রমন করেwQ‡jন এবং স্থানীয় খাবারগুলোকে এবং সেগুলো রান্নার প্রক্রিয়াগুলোকে তুলে ধরেন| আমি বিভিন্ন খাবার সমন্ধে শিখতে পছন্দ করি, এবং তারা শোÕতে যে যন্ত্রপাতি সমন্ধে কথা বলেন, আমি সেগুলোর কয়েকটি সংগ্রহ করেছি| আমি তার কয়েকটি পদ্ধতি চেষ্টা করেছি এবং আমি সেই শো এর রান্নার বই কিনেছি এবং আমি আশা করি যে সেই খাবারগুলোর কয়েকটি আমি খুব শীঘ্রই তৈরী করতে পারবো|
কিন্তু আমার সবচেয়ে ভাল লাগার অংশ হলো, যখন উপস্থাপক বিভিন্ন স্থানে গিয়ে সেখানকার খাবার চেখে দেখতে চেষ্টা করেন তখন প্রধান শেফ যে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন সেই বিষয়wU| তারা তাদের খাবারগুলোকে তুলে ধরতে খুবই খুশী| উপস্থাপক যখন তাদের খাবার সমন্ধে প্রশংসা করে তখন তারা খুবই আনন্দিত হন, এভাবে করে তিনি তাদের সংষ্কৃতি বুঝতে এবং সম্মান দিতে শুরু করে|
খাবার এবং রান্না করা হলো আদিপুস্তক ১:২৮-৩০ পদে বর্ণীত সৃজনশীল আদেশ পুর্ণ করার উপায়ের একটি অংশ| আমাদের অঞ্চলে আমাদের জন্য প্রদত্ত উদ্ভিদ এবং প্রাণী যা আমাদের কাছে সহজ লভ্য সেগুলোর ব্যবহার করা| আমরা আরও বেশী ফলপ্রসুভাবে রান্না করার জন্য চাকু এবং পেন এই ধরণের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করি| আমরা খাবারকে আরও চমৎকার করার জন্য রেসেপিগুলো এবং রান্নার কৌশলগুলো ঠিক করি| এই উপায়ে, আমরা আমাদের মহান সৃষ্টিকর্তা ঈশ্বরকে অনুকরণ করি, যার সমন্ধে গীতরচক লিখেছেনঃ
তিনি পশুগণের জন্য তৃণ অঙ্কুরিত করেন; মনুষ্যের সেবার জন্য ওষধি অঙ্কুরিত করেন; এইরূপে ভূমি হইতে ভক্ষ্য উৎপন্ন করেন, আর মর্ত্যের চিত্তানন্দ-জনক দ্রাক্ষারস, মুখের প্রফুল্লতা-জনক তৈল, ও মর্ত্যের চিত্তবল-সাধক ভক্ষ্য উৎপন্ন করেন (গীতসংহিতা ১০৪:১৪-১৫)|
আমরা কারা সেসমন্ধে শেয়ার করার জন্য রান্না করা হলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপায়| এটা মহান আনন্দের একটি উৎস হতে পারে এবং অন্যদের সাথে আনন্দ সহভাগিতার জন্য একটি চমৎকার উপায় হতে পারে এবং আমরা যখন রাতের খাবারের টেবিলে খাবারের আনন্দ সহভাগিতা করি, এটা আমাদেরকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সহভাগীতা করার সুযোগ প্রদান করে, যেমন- আমাদের বিশ্বাস| এটা আমাদেরকে ঈশ্বরকে জানার আনন্দ ভাগ করার সুযোগ প্রদান করে, যিনি সমস্ত কিছু সৃষ্টি করেছেন, এর মধ্যে পৃথিবী থেকে গাছা পালা এবং পশুপাখীও রয়েছে, এবং যিনি তাঁর লোকদেরকে এত ভালবাসেন যে তাঁর একজাত পুত্রকে দান করেছেন যেন তারা তাঁর আনন্দে চিরকাল সহভাগিতা করতে পারেন|
এই প্রবন্ধটি মূলতঃ লিগনিয়্যার মিনিস্ট্রিজ ব্লগে প্রকাশিত হয়েছিল।


