
পৌলের যাত্রা পরিকল্পনা
12-08-2025
তীমথিয় এবং আপল্লো
19-08-2025মৃতেরা যদি উত্থাপিত না হয়
১ করিন্থীয় ১৫:২৯-৩৪
Óইফিষে পশুদের সহিত যে যুদ্ধ করিয়াছি, তাহা যদি মানুষের মত করিয়া থাকি, তবে তাহাতে আমার কি ফল দর্শে? মৃতেরা যদি উত্থাপিত না হয়, তবে Óআইস, আমরা ভোজন পান করি, কেননা কল্য মরিবÓ( 32)|
সিনেমা, কার্টুন, টিভি অনুষ্ঠান, কমেডি অনুষ্ঠান এবং অন্যান্য মিডিয়াগুলো সমস্ত কিছুই স্বর্গকে সম্পূর্ণরূপে একটি আধ্যাত্মিক অস্তিত্ব হিসেবে চিত্রায়িত করে, তাদের মতে স্বর্গ হলো এমন একটি স্থান যেখানে আমাদের পাখা থাকবে আমরা মেঘের উপর ভেসে বেড়াবো এবং বীণা বাজাব। দুখঃজনক হলেও সত্য যে, মণ্ডলীতে অনেক লোকই এমন ধারণা শেয়ার করেন, তারা বাইবেলের ভবিষতে শরীরের পুনরুত্থানের প্রচারকে স্বীকার করেন না (দানিয়েল ১২:১-২)।
নূতন নিয়মের প্রৈরিতিক সাক্ষ্যগুলো শক্তিশালীভাবে পুনরুত্থানের বাস্তবতাকে তুলে ধরে। যেমন আমরা দেখেছি, পৌল যীশুর পুনরুত্থানের সত্যের সাথে আমাদের পুনরুত্থানের সত্যকে সংযোগ করেছেন (১ করিন্থীয় ১৫:১-২৮)। অধিকন্তু, আজকের শাস্ত্রাং‡k আমরা যমন দেখেছি, যদি ভবিষতে কোন পুনরুত্থান না থাকে তবে প্রেরিত, যীশুকে অনুসরণ করার কোন অর্থ দেখেন না।
প্রথম করিন্থীয় ১৫:২৯-৩৪ পদগুলোতে একটি ধারাবাহিক বিবৃতি রয়েছে যেখানে পৌল পুনরুত্থানকে অস্বীকার করার অসারতা দেখিয়েছেন। তিনি শুরুতেই বলেন যে, যদি লোকেরা তাদের ভবিষ্যৎ শারীরিক পুনরুত্থান অস্বীকার করে, তাহলে তাদের “মৃতদের নিমিত্ত” বাপ্তিস্ম নেওয়ার কোন অর্থ নেই (২৯ পদ)। এটি সমগ্র শাস্ত্রের সবচেয়ে কঠিন পদগুলির মধ্যে একটি, কারণ পৌল কোন অনুশীলনের কথা উল্লেখ করেছেন তা নিশ্চিত করা অসম্ভব। একজন ভাষ্যকার বলেছেন যে, করিন্থে মৃতদের নিমিত্ত বাপ্তিস্ম কী ছিল সে সম্পর্কে পণ্ডিতদের মধ্যে কমপক্ষে চল্লিশটি ভিন্ন মতামত রয়েছে। তবে, এখানে পৌল যে অন্য লোকদের পরিত্রাণের নিমিত্ত অন্যদের ভ্রান্ত বাপ্তিষ্মের অনুশীলণকে সমর্থন করছেন না এই বিষয়ে আমরা নিশ্চিত থাকতে পারি, কারণ যদি এমনটি হতো তবে এটি অনুগ্রহ এবং ব্যক্তিগত বিশ্বাসের প্রয়োজনীয়তার উপর তারই শিক্ষার বিপরীত হতো (উদাহরণস্বরূপ, ইফিষিয় ২:৮-১০)।
পরবর্তীতে পৗল বলেছেন, যদি কোন পুনরুত্থান না থাকে, তবে তার সমস্ত দুঃখভোগ এবং প্রেরিত হওয়ার কোন মূল্য নাই (১ করিন্থীয় ১৫:৩০-৩২)। যদি একজনের দেহ পুনরুত্থিত না হইবে তবে একজনের জীবনকে কেন মৃত্যু ঝুঁকির মধ্যে রাখব (৩০ পদে পশুদের সঙ্গে যুদ্ধ করার কথা বলার দ্বারা তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে তিনি সুসমাচার বিরোধী লোকদের দ্বারা বিপদের সম্মুখীন হয়েছিলেন)? বস্তুত, যদি মৃতগণের পুনরুত্থান না হয়ে থাকে তবে, আমাদের ভবিষতের কোন আশা নাই, এবং আমাদের বর্তমানে ভোজন পান নিয়ে আমোদ প্রমোদ করা উচিত (৩২ পদ)। পৌল একটি মধ্যবর্তীকালীন অবস্থানের বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন যেখানে আমাদের আত্নাগুলো যীশু খ্রীষ্টের আগমনে আমাদের দেহের পুনরুত্থানের আগমুহুর্ত পর্যন্ত ঈশ্বরের উপস্থিতি উপভোগ করবে (ফিলিপিয় ১:২৩-২৪), কিন্তু তা একটি অনন্তকালীণ, মানুষের জন্য সম্পূর্ণভাবে আত্নিক অবস্থান নয়। শারীরিক পুনরুত্থান অবশ্যই হতে হবে, তা হলে মৃত্যুর পর আসলে কোন জীবন নাই।
এর আলোকে পৌল মণ্ডলীকে, যারা পুনরুত্থানকে অস্বীকার করে তাদেরকে পরিত্যাগ করার কথা বলেছেন (১ করিন্থীয় ১৫:৩৩-৩৪)। মৃতদের পুনরুত্থান সম্পর্কীয় খ্রীষ্টিয় মতবাদ হলো একটি অ-আলোচনাযোগ্য মতবাদ।
ঈশ্বরের মুখ
আমরা ভবিষতের বিষয়ে যেভাবে চিন্তা করব তা বর্তমানে আমরা যা করি তাকে প্রভাবিত করবে। আমাদের দেহ, যদি উত্থাপিত না হয়, তবে যীশুকে অনুসরণ করা একটি অর্থহীন প্রচেষ্টা। পরকালের একটি জীবন ছাড়া, আমাদের নিজেদের জন্য জীবন যাপন করা ছাড়া আমাদের আর কোন কিছু করার কোন কারণ নাই। আমরা যদি পরকালের জীবন সম্পর্কে, বিশেষভাবে শাররিক পুনরুত্থান সম্পর্কে, বাইবেলের শিক্ষার কোন একটি দিক অস্বীকার করি, তবে সমগ্র খ্রীষ্টিয় মতবাদ আপোষ হয়ে গেছে।
এই প্রবন্ধটি মূলতঃ লিগনিয়্যার মিনিস্ট্রিজ ব্লগে প্রকাশিত হয়েছিল।


